রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে গণটিকাদান কার্যক্রম, ডোজ প্রত্যাশীদের দীর্ঘলাইন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ছয় দিনে ৩২ লাখ মানুষকে টিকা দিতে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টায় ১৫ হাজারের বেশি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। বিকাল ৩টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে। দেশজুড়ে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলবে ৯ আগস্ট পর্যন্ত। এছাড়া প্রথমদিন বাদ পড়া ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ের ওয়ার্ডে টিকা দেওয়া হবে ৮ ও ৯ আগস্ট।

এদিকে, গণটিকা নিতে প্রথম ডোজ প্রত্যাশীদের দীর্ঘলাইন লক্ষ্য করা গেছে সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রে। শনিবার সকালে রাজধানীর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫০ নং ওয়ার্ডের চন্দনকোঠা কমিউনিটি সেন্টারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দেখা যায়, সকাল থেকে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হলেও ৮টা থেকেই প্রথম ডোজ প্রত্যাশীরা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তবে, দুই ঘণ্টা ধরে সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে টিকা নিতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তবে, মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে অত্র এলাকার কাউন্সিলর আলহাজ্ব মাসুম মোল্লা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের এখানে টিকা দেওয়া হচ্ছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী এবং বয়স্কদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দিচ্ছি। এই কার্যক্রম বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে।

এদিকে সারা দেশে ২৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠী, নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে প্রাধান্য দিয়ে শনিবার সকাল ৯টা থেকে করোনার গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তা চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৬০০টি ইউনিয়নে, ১ হাজার ৫৪টি পৌরসভায় এবং সিটি করপোরেশন এলাকার ৪৩৩টি ওয়ার্ডে একযোগে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এতে ৩২ হাজার ৭০৬ জন টিকাদানকর্মী ও ৪৮ হাজার ৪৫৯ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন।