সরকারের পদত্যাগ চেয়ে নির্বাচন দাবি ফখরুলের

বর্তমান সরকারের কোনো বৈধতা নেই দাবি করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবিলম্বে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করুন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী যুবদল আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। লেখক মুশতাক আহমেদ ও ফেনীর সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মোজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ফখরুল আরও বলেন, এই সমাবেশ থেকে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মুক্তি দাবি করছি, আমাদের যেসব রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে বিনা কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মুক্তির দাবি করছি।

তিনি বলেন, এই সরকারকে সরাতে হবে। কারণ এরা জনগণের নির্বাচিত সরকার নয়। এই সরকারের কোনো বৈধতা নেই। আমরা বিশ্বাস করি জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনেই এই সরকরের পতন হবে।

ফখরুল বলেন, আমি পরিষ্কার বলতে চাই, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করে রেখেছেন, তাকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। ৩৫ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা গায়েবি মামলা আছে তা সব প্রত্যাহার করতে হবে।

তিনি বলেন, লেখক মুশতাক আহমেদকে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে গ্রেফতার করে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটক রেখে হত্যা করা হয়েছে। আমরা প্রথমেই বলেছি রাষ্ট্রীয় মদদে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আমরা সেদিনই বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছি।

ফখরুল বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে প্রায় ৭০০ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধুমাত্র সরকারের সমালোচনা করে কার্টুন বা লেখার কারণে সাত বছরের মেয়ে থেকে শুরু করে গৃহবধূকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হয়েছেন আমাদের নেতাকর্মীরা।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল আলম নীরবের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নয়ন, কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।