মৈত্রী সেতু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি করবে, টুইটবার্তায় মোদি

মৈত্রী সেতু একটি যুগান্তকারী প্রকল্প হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, যা ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বের উন্নতি করবে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক টুইট বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

মোদি বলেন, মৈত্রী সেতুর কারণে বাণিজ্য, পর্যটন ও বন্দর খাত উন্নত হবে। এরই মধ্যে একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৈত্রী সেতু উদ্বোধন করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে ত্রিপুরার বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তিনি। ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, ৩০ বছরের ব্যবধানে ত্রিপুরার অনেক পরিবর্তন এসেছে। দুর্নীতি দূর হয়েছে, মানুষ সরাসরি সুবিধা পাচ্ছে, কর্মীরা ঠিকমতো বেতন পাচ্ছে, কৃষকদের তাদের পণ্য বিক্রি নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না। মোদি বলেন, তথ্য অনুযায়ী ত্রিপুরা থেকে রপ্তানি বেড়েছে পাঁচগুণ।

প্রধানমন্ত্রী জানান যে বিগত ছয় বছরে কেন্দ্রীয় সরকার ত্রিপুরার উন্নয়নের জন্য প্রতিটি প্রয়োজনের তদারকি করেছেন। মোদি বলেন, ২০০৯-২০১৪ সালের মধ্যে ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাবদ ৩৫০০ কোটি রুপি পেয়েছিল এবং ২০১৪-২০১৯ সালে পেয়েছে ১২০০০ কোটি টাকারও বেশি।

মোট কথা নরেন্দ্র মোদি এই মৈত্রী সেতুকে দুই দেশের মধ্যে নতুন বাণিজ্য করিডর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই সেতু দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।