‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গমাতা অনন্য ভূমিকা রেখেছেন’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য জাতির পিতার সঙ্গে আমার মাও একই স্বপ্ন দেখতেন। এ দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাক, ভালোভাবে বাঁচুক এ প্রত্যাশা নিয়েই বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি সবসময় সজাগ ও দূরদর্শী ছিলেন।

আজ রবিবার বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একজন সাধারণ বাঙালি নারীর মতো স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকার পরও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি আমি। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গমাতা সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী’ যথার্থ হয়েছে।

 

তিনি বলেন, আমি মনে করি যেখানে বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে সর্বক্ষণের সহযোগী ও অনুপ্রেরণাদায়ী এই মহীয়সী নারীর কর্মময় জীবনের প্রকৃত অর্থ প্রতিফলিত হয়েছে। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাত্র ৩ বছর বয়সে বাবা এবং ৫ বছর বয়সে মাকে হারান। এরপর বঙ্গবন্ধুর পিতা-মাতার কাছে লালিত-পালিত হন তিনি। চাচাত ভাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে তার দাদা বিয়ে দেন তাকে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। আমি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।