‘মাস্ক পরা না থাকলে কোনোভাবেই যেন সেবা না পায়’

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সারাবিশ্বেই জোরালো হওয়ায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পরা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় সরকারকে ও প্রশাসনকে এ ব্যাপারে সর্বত্র প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার (২১ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদের ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ এটা ব্যাপকভাবে প্রচার করার জন্য স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে, শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সমাজের সচেতন ব্যক্তি সবাইকে এই কাজে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন- যেহেতু (করোনাভাইরাস) পৃথিবীতে স্প্রেড করছে, এটা আমাদের আরো একটু স্ট্রং অ্যাকশনে যেতে হবে যাতে যথাসম্ভব সোশ্যাল ডিসটেন্সিং মেইনটেইন করা যায়। আর মাস্কের কথা তো বারবার আলোচনায় আসছে।’

তিনি আরো বলেন, নো মাস্ক, নো সার্ভিস এটা মুখে বলছি, এটাকে প্র্যাকটিক্যালি অ্যাপ্লাই করতে হবে। যে মাস্ক না পরে আসবে সে সরকারি-বেসরকারি অফিসে কোনোভাবেই যেন সেবা না পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। এটার একটা বড় রোল দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগকে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এখন একটা সুবিধা হচ্ছে, আমরা তো বুঝতে পারছি। কিন্তু মার্চ, এপ্রিল, মে মাসে আমাদের কোনো ধারণাই ছিল না। এখন ট্রিটমেন্ট প্রটোকল বোঝা যাচ্ছে, হ্যান্ডেলিং ম্যানেজমেন্ট বোঝা যাচ্ছে।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের ২০২১ সালের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ইলাবোরেট ও সংক্ষিপ্ত দুটোই আনা হয়েছে।

নিয়মিত এ বৈঠকে সচিবালয় থেকে অংশ নিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সিসহ মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।