ভারতে বাড়ছে ই-কর্মাস, ২০২৪ সালের মধ্যে ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা

২০২১ সালের মধ্যে ভারতের ই-কমার্স মার্কেট ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার বৈশ্বিক আর্থিক প্রযুক্তি সংস্থা এফআইএসের নতুন প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। মোবাইল শপিংয়ের মাধ্যমে এই প্রবৃদ্ধি পরিচালিত হবে, যা আগামী চার বছরে বার্ষিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে বৈশ্বিক বাজারে ই- বাণিজ্য করোনা মহামারীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত সহ  অন্যান্য দেশগুলোতে কভিড -১৯ এর কারণে ভোক্তাদের আচরণে পরিবর্তন এনেছে এবং মোবাইলে পেমেন্টের প্রবণতা বেড়েছে। এফআইএসের ওয়ার্ল্ডপে এর এশিয়া প্যাসিফিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিল পমফোর্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, “কভিড -১৯ এর কারণে ভারতীয় ই-বাণিজ্য শিল্পে প্রচুর উত্থান দেখা দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এর বিকাশের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ই-কমার্স কেবল ট্রেডিশনাল  ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যে মিশেছে।”

এফআইএস থেকে ওয়ার্ল্ডপে এর ২০২১ গ্লোবাল পেমেন্টস রিপোর্ট অনুযায়ী ৪১ টি দেশে নতুন পেমেন্টের প্রবণতা বেড়েছ যা ভবিষ্যৎয়েও থাকবে। ভারতে, “এখনই কিনুন, পরে অর্থ প্রদান করুন” হ’ল দ্রুততম অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি।

প্রতিবেদনে বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানা যায়, বাজারের বর্তমানে কেবলমাত্র তিন শতাংশ ই পেমেন্ট হচ্ছে যা ২০২৪ সালের মধ্যে ৯ শতাংশে উন্নীত হবে। ডিজিটাল ওয়ালেট, (৪০ শতাংশ) এর পরে ক্রেডিট কার্ড (১৫ শতাংশ) এবং ডেবিট কার্ড (১৫ শতাংশ) ২০২০ সালে অনলাইনে সবচেয়ে জনপ্রিয় অর্থপ্রদানের পদ্ধতি ছিল।

প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্য উপাত্ত থেকে ধারণা করা যায়, অনলাইনে পেমেন্টে বাজার ২০২৪ সালের মধ্যে শতকরা ৪৭ শতাংশ বাড়বে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, এফআইএসের প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে ভারতের পয়েন্ট অফ সেল (পস) বাজার এখন থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৪১ শতাংশ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সর্বাধিক জনপ্রিয় ইন-স্টোর প্রদানের পদ্ধতিটি নগদ ৩৪ শতাংশ, তারপরে ডিজিটাল ওয়ালেট (২২ শতাংশ) এবং ডেবিট কার্ডের প্রদান (২০ শতাংশ)।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ডিজিটাল ওয়ালেট ২০২৪ সালের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় ইন-স্টোর প্রদানের পদ্ধতি হিসাবে নগদকে ছাড়িয়ে যাবে।