‘বৈশ্বিক মহামারি চুক্তি’ স্বাক্ষর করার এখনই সময়: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস সোমবার (৩১ মে) বার্ষিক মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলনের শেষ দিনে বলেন, ‘ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় ‘বৈশ্বিক মহামারি চুক্তি’ স্বাক্ষর করার এখনই সময়।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাকে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ‘গুরুতর চ্যালেঞ্জ’ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় নমনীয় এবং টেকসই তহবিল প্রয়োজন।’

গত এক সপ্তাহ ধরে চলা এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা ভাইরাস দমনে দেশগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে স্বাধীন গবেষকদের আরও বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী গবেষণার প্রয়োজনের বিষয়েও একমত হন।

আগামী ২৯ নভেম্বর হুর ১৯৪ সদস্য দেশের মন্ত্রীরা মহামারি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরুর প্রয়োজন কি না তা নিয়ে বৈঠকে বসবেন। গত ৭৩ বছরের ইতিহাসে এ পর্যন্ত মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। একটি হচ্ছে ২০০৩ সালে স্বাক্ষরিত ‘ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোবাকো কন্ট্রোল’, দ্বিতীয়টি ২০০৫ সালে স্বাক্ষরিত ‘ইন্টারন্যাশনাল হেলথ রেগুলেশন’।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনগুলোকে গ্রিক অক্ষর দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। এতে ব্রিটেনে শনাক্ত হওয়া (বি.১.১.৭) প্রজাতিকে আলফা, দক্ষিণ আফ্রিকার (বি.১.৩৫১) প্রজাতিকে বিটা, ব্রাজিলের (পি.১) প্রজাতিকে গামা ও ভারতের (বি.১.৬১৭.২ প্রজাতিকে ডেলটা নামে ডাকা হবে। বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে জেনেটিক সংকেতই ব্যবহার করা হবে।