বঙ্গবন্ধুকে জনবিচ্ছিন্ন করতে না পেরে খুন করা হয়: শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার এই প্রক্রিয়াটা শুরু করতে দলের অভ্যন্তরে নানা ধরনের খেলা শুরু হয়। আর কিছু লোক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দালালি করতে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের পর কিছু লোক নানা ধরনের সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে। হ্যাঁ সমালোচনার প্রয়োজন আছে। কিন্তু এমনভাবে তাদের লেখনী এবং তাদের কার্যকলাপ ছিল এবং পরিকল্পিতভাবে সারা বাংলাদেশে অপবাদ ছড়ানো হয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্যটাই ছিল জাতির পিতার যে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা, তা নস্যাৎ করা। সেটা যখন তারা পারেই নাই, তারপরই তারা হত্যার পথ বেছে নেয়।’

তিনি বলেন, ‘কয়েকটা খুনি, বেইমান বা মুনাফেক ছাড়া অগণিত জনগণ জাতির পিতার জন্য কাঁদে। তারা জাতির পিতার নাম মুছে ফেলার জন্য ২১ বছর চেষ্টা করেছে। কিন্তু সেই নাম মুছতে পারেনি। আজকে শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম উজ্জ্বল।’

সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

সভায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা পাঠ করেন সাবেক মন্ত্রী সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর। অনুষ্ঠানে মুক্তির মহানায়ক শীর্ষক ভার্চুয়াল চিত্রকর্ম ও আলোচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। শোকাবহ যন্ত্রসংগীত দিয়ে সভা শুরু হয় এবং শ্রদ্ধাসংগীত দিয়ে শেষ হয় স্মরণ সভা।