পাকিস্তান আবারো প্রমাণ করল কেন তারা ‘আনপ্রেডিক্টেবল’

জয়ের জন্য দরকার ১৩৩ রান, হাতে আছে ৬ উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাটিং দলের জেতার সম্ভাবনাই বেশি। আর জিততে না পারলেও জয়ের কাছাকাছি অন্তত যাবে – এমনটা বলাই যায়। কিন্তু দলটি যখন পাকিস্তান হয়, তখন তাদেরকে নিয়ে কোনো কিছু অনুমান করা কঠিন। কারণ পাকিস্তান মানেই ‘আনপ্রেডিক্টেবল’। দলটিকে নিয়ে আগে থেকেই কিছু অনুমান করা বোকামি।

মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের কাছাকাছিও যেতে পারে নি পাকিস্তান। ৩৭৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে ছিল পাকিস্তানের সামনে। ম্যাচের এক পর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ২৪০। তারপরই বিপর্যয় নামে পাকিস্তানের ইনিংসে। ৪ উইকেটে ২৪০ থেকে পাকিস্তান অলআউট হয়েছে ২৭১ রানে, ম্যাচটি হেরেছে ১০১ রানে। মাত্র ৩১ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল। এদিকে, এ জয়ের ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল কেন উইলিয়ামসনবাহিনী।

পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে ২৩৯ রান করে অলআউট হয়। আর প্রথম ইনিংসে ৪৩১ রান করা নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৮০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করলে পাকিস্তানের জন্য জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭৩ রান।

জবাবে মাত্র ৭৫ রানেই ৪ উইকেট হারায় পাকিস্তান। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন ফাওয়াদ আলম ও অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান। পঞ্চম উইকেটে দুজনে গড়েন ১৬৫ রানের জুটি। দলীয় রান ২৪০ এ পৌঁছতেই ভেঙে যায় জুটি। ৬০ রান করে সাজঘরে ফিরেন রিজওয়ান। কিছুক্ষণ পর ফিরে যান ১১ বছর পর টেস্টে শতক হাঁকানো ব্যাটসম্যান ফাওয়াদ আলমও (১০২)।

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট, নেইল ওয়াগনার, কাইল জেমিসন ও মিচেল স্যান্টনার ২টি করে উইকেট লাভ করেন।

প্রথম ইনিংসে ১২৯ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২১ করা কিউই দলপতি কেন উইলিয়ামসন ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ৩ জানুয়ারি ক্রাইস্টচার্চে শুরু হবে।

 

সূত্র: ক্রিকইনফো