পরীমনি আটকের ঘটনায় যা বললেন ডিপজল

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে নিয়ে এবার কথা বলেছেন জনপ্রিয় খল অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

সোমবার বেশ কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান ও ডিপজল। এ সময় পরীমনিকাণ্ড নিয়ে ডিপজলকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেন, এ অভিনেত্রীর অপরাধ এখনো তদন্তাধীন, রিমান্ডে আছেন তিনি। কিন্তু বলা হচ্ছে, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি পরীমনির পাশে দাঁড়ায়নি। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

ডিপজল বলেন, আমরা কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নই। আমাদের শিল্পী সমিতি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আইনের বিপক্ষে যাওয়া যাবে না। এখন দেখা যাক সামনে কী হয়। আইনকে পাশ কাটিয়ে পরীমনির বিষয়ে আমরা পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো দিকেই জড়াতে চাই না। আইন পরীমনির বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সেটা মেনে নেব।’

এরপর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, পরীমনির এই ঘটনার পর চলচ্চিত্রাঙ্গনের আর কোনো শিল্পী এমন বিতর্কিত কাজে জড়িয়ে যাচ্ছেন কি না, সে বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী? ডিপজল বলেন, ‘সহকর্মীদের সাবধান করে দেওয়া হয়েছে যে তারা যেন সুন্দরভাবে, ভালোভাবে চলেন। বিতর্কিত পথ, খারাপ রাস্তায় জড়িত না হন।’

 পরীমনিকে বুধবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় আটক করা হয়। রাজধানীর বনানীতে তার বাসায় প্রায় চার ঘণ্টার অভিযান শেষে তাকে আটক করে র‌্যাব। এ সময় তার বাসা থেকে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। পরদিন তার বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরীমনির মামলাটি পরে ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় চলচ্চিত্র শিল্পীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে দাবি করে পরীমনির সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে শিল্পী সমিতি। আজ শনিবার (৭ আগস্ট) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর। এফডিসিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিশা বলেন, পরীমনির ঘটনাটি আমাদের চলচ্চিত্র তথা শিল্পীসমাজের জন্য বিব্রতকর। আমরা কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিই না। পরী বিষয়টির মামলা চলমান। এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা ঠিক নয়। আমরা তাই পরীমনির সদস্যপদ স্থগিত করলাম।