নির্দলীয় সরকার দাবিতে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে হবে: ড. মোশাররফ

নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের মানুষের ভোটের অধিকার ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনে সকলকে রাজপথে নামতে হবে।

আজ রবিবার সকালে সাউথ এশিয়া ইয়ুথ ফর পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি সোসাইটির উদ্যোগে ‘নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক একটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সাজ্জাদুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বাংলাদেশের জনসাধারণ যেভাবে শক্তিশালী, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে চান তা কখনোই বর্তমান আওয়ামী সরকারের দ্বারা পূরণ হবে না। এই বিষয়ের সমাধান রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। তিনি আরও বলেন নির্বাচনে প্রযুক্তি অসচেতনমূলক ভোটারদের জন্য ইভি এম ব্যবস্থা একেবারেই অনুপযুক্ত।

সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন ঠুটো জগন্নাথের মত আচরণ করছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচনগুলোয় হওয়া ভোট জালিয়াতি ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য করা সার্চ কমিটি একটি প্রহসন মাত্র, যার মাধ্যমে মূলত সরকার দলের পছন্দের লোকজন কমিটিতে জায়গা পান।

এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনারবৃন্দ কারা হবেন তা সাংবিধানিকভাবে সংসদে পাশ হতে হবে। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের জন্য যে আইন আছে, বর্তমান দলীয় সরকারের আজ্ঞাবহ এই নির্বাচন কমিশন সে আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ এবং পালন করতে পারছে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভ্যাকসিন হল নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন।