নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (০৯ জুলাই) এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন। একই সাথে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে দুর্ঘটনায় আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

পৃথক শোক বার্তায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৯ জনের জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫২ জনে। শুক্রবার (০৯ জুলাই) দুপুর একটার পর কারখানার চতুর্থ তলা থেকে ৪৯টি লাশ বের করেন উদ্ধারকর্মীরা। এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি ভবনটির আগুন।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুড়ে যাওয়ায় ডিএনএ টেস্ট ছাড়া এসব লাশের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

ভবনটির আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে , কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত সজীব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সেজান জুস উৎপাদনে ৭ তলা ভবন বিশিষ্ট কারখানায় প্রায় ৭ হাজার শ্রমিক কর্মচারী কাজ করে। তবে বিকেল ৫টায় ছুটি হয়ে যাওয়ায় সেখানে আড়াই হাজারের মতো শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানিয়েছেন বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের অনেকে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম বেপারীকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরা হলেন- জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম বেপারী, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ নুসরাত জাহান, জেলার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন, পুলিশের একজন প্রতিনিধি এবং কলকারখানা অধিদপ্তরের জেলার একজন কর্মকর্তা।