দায় মেটাতে ব্যর্থ হলে দেওলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনাও ছিল ইভ্যালির রাসেলের

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানিয়েছেন, বিপুল সংখ্যক গ্রাহক তৈরি করে একটি ব্র্যান্ডভ্যালু তৈরির পরিকল্পনা ছিল ইভ্যালির সিইও রাসেলের। ব্র্যান্ডভ্যালুকে কাজে লাগিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ বিক্রি করে দিতেন। এছাড়া, তিনবছর পূর্ণ হলে শেয়ার মার্কেটে অন্তর্ভুক্ত হয়ে দায় চাপানোর পরিকল্পনা নেন রাসেল। সর্বশেষ দায় মেটাতে ব্যর্থ হলে দেওলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনাও ছিল তার।

শুক্রবার দুপুরে র‌্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইভ্যালির সিইও রাসেল ও তার স্ত্রী-প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে ‌র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে চালু হওয়া ইভ্যালি এখনো কোনো লাভ করতে পারেনি। অথচ তার অফিস পরিচালনা ও স্টাফদের বেতন বাবদ ব্যয় ছিল প্রায় ৫ কোটি টাকা। যার পুরোটাই গ্রাহকের কষ্টার্জিত বিনিয়োগের অর্থে।