টিকার জন্য ৮ হাজার কোটি টাকা দেবে এডিবি

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সরকারি প্রণোদনা ও বাংলাদেশের টিকা কার্যক্রমের প্রশংসা করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তাই জীবন ও জীবিকার সুরক্ষায় টিকা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ঋণ ও অনুদান মিলে বাংলাদেশকে ৯৪ কোটি ডলার দেবে এডিবি। প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় তা দাঁড়ায় প্রায় আট হাজার ৮৪ কোটি টাকা। গতকাল বুধবার এডিবির ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের। এ সময় বক্তব্য দেন সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ।

kalerkantho

প্রতিবেদনে বলা হয়, এডিবি এরই মধ্যেই ৬৫ কোটি ডলার ঋণ ও ৭২ লাখ ৩০ হাজার ডলার অনুদান দিয়েছে করোনা সংকট মোকাবেলায়। দুই কর্মসূচির আওতায় এডিবি আরো ৫০ কোটি ডলার দেবে। এই ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া টিকা কর্মসূচির জন্য দেবে ৯৪ কোটি ডলার। ২০২১ থেকে ২০২৩ অর্থবছরে নানা প্রকল্পে ৫.৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহামারি সামাল দিতে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশে রপ্তানির গতি বাড়ায় প্রবৃদ্ধি বাড়বে। একই সঙ্গে সরকারের দেওয়া প্রণোদনার সুফল মেলার পাশাপাশি বিশ্ব বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে। চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৮ শতাংশ, আগামী অর্থবছরে আরো বেড়ে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭.২ শতাংশ।

কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে ৬.৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি নির্ভর করবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ওপর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের চাপে এটি ৫.৫ থেকে ৫.৮ শতাংশও হতে পারে। করোনার ভ্যাকসিন সংকটের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেক কম্পানির সক্ষমতা রয়েছে। তাই দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদনে জোর দিতে হবে।’