জনপ্রতিনিধিরা সক্রিয় বলেই খাদ্যের অভাব হয়নি : হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরা সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখায় দেশের কোথাও খাদ্যের অভাব হয়নি। মঙ্গলবার রাতে ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা অনুষ্ঠানের চতুর্থ পর্বে যোগ দিয়ে তিনি একথা বলেন।

ইন্টারনেটে সম্প্রচারিত ‘করোনা সঙ্কটে জনপ্রতিনিধিদের করণীয়’ এ অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নুর লিপি এবং ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।  অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলি ফরহাদ।  মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরা প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত মানুষের পাশে আছে। আমরা খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। কৃষকের ধানকাটা থেকে শুরু করে হাসপাতালে রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেন, সরকারি ত্রাণের বাইরে তাদের দলীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা ৯০ লাখ ২৫ হাজার ৩২৭টি পরিবারকে সহায়তা দিয়েছেন। নগদ টাকা দিয়েছেন প্রায় নয় কোটি, যা ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এটা সরকারের সহায়তার বাইরে। ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের সঙ্গে স্থানীয় সরকারের যেসব জনপ্রতিনিধির নাম এসেছে, তাদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছিল আলোচনায়।

এর উত্তরে কামাল হোসেন বলেন, দেশে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পর্যন্ত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আছেন ৬১ হাজার ৫৭৯ জন।

এ পর্যন্ত ৭২ জন জনপ্রতিনিধি অনিয়ম করেছেন, যা ০.১৩ শতাংশ। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তাদেরকে নিজ নিজ দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির পাশাপাশি দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যারা এই অসৎ কাজগুলো করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সরকারের পাশাপাশি দল ব্যবস্থা নিয়েছে।