চিনকে শিক্ষা দিতে আমেরিকা সমেত আট শক্তিশালী দেশ গড়ল জোট, নেওয়া হবে কড়া অ্যাকশন


নয়া দিল্লীঃ চিনের (China) বুহান শহর থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে আমেরিকা (America) সমেত বেশ কিছু দেশের নিশানায় রয়েছে চিন। এবার বিশ্বের নকশা থেকে চিনকে চারিদিক ঘেরার জন্য আর তাদের একঘরে করার জন্য বিশ্বের কয়েকটি দেশ একজোট হচ্ছে। গোটা বিশ্বের ৮ টি আলাদা আলাদা দেশের সাংসদ একজোট হয়ে পাঁচ জুন চিনের বিরুদ্ধে বড়সড় জোট তৈরি করেছে।

আমেরিকার সমেত ৮ টি দেশের বরিষ্ঠ সাংসদ একসুরে জানিয়েছে যে, চিন মানবাধিকার, গ্লোবাল ট্রেড আর সুরক্ষার জন্য গোটা বিশ্বের কাছে একটি বড় বিপদ হয়ে উঠে আসছে। আমেরিকার লেজিসলেটর মোরকো রুবিয়ো একটি ভিডিও ম্যাসেজের মাধ্যমে এই জোট শুরু করার ঘোষণা করেছেন।

এই জোট এও বলেছে যে, আমাদের উদ্দেশ্য হল চিনের সাথে জড়িত ইস্যু গুলোতে এক হয়ে সক্রিয় আর রণনৈতিক অংশীদারী তৈরি করা। বিশ্বের আটটি বড় দেশের এই সংগঠনে ব্রিটেন, জাপান, জার্মানি, ক্যানাডা, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়ানের সাংসদও আছে।

এই জোটে আমেরিকার রিপাবলিকান সেনিটর মার্কো রুবিও আর ডেমোক্রেট বব মেনেন্ডেজ, জাপানের প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী যেন নাকাতানি, ইউরোপিয় সংসদে বিদেশী ইস্যুতে কমিটি মেম্বার মিরয়ম লেকসম্যান আর ব্রিটেনের কনজারভেটিভ দলের সাংসদ ইয়ান ডাঙ্কেন স্মিথ আছেন। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, ক্যানাডা, সুইডেন আর নরওয়ের নেতারাও এই জোটে শামিল আছেন।

বিশ্বের যেই দেশ গুলো এই জোট বানিয়েছে, তাদের মধ্যে অনেক দেশই চিনের উদ্দেশ্যর কারণে রাজনৈতিক আর আর্থিক ক্ষতির সন্মুখিন হয়েছে। ক্যানাডায় চিনে হুবেই টেকনোলোজি কোম্পানির এক এক্সিকিউটিভ গ্রেফতার হয়েছে। আর এরপরেই চিন ক্যানাডার দুই নাগরিককে বিনা কোন ট্রায়ালে গ্রেফতার করে নিয়েছে।