গ্রীষ্মে করোনা বাড়তে পারে, সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রীর ৩ নির্দেশনা

আগামী এপ্রিল, মে ও জুন মাস ঘিরে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় নতুন নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিসভা। তাই করোনা সংক্রমণ রোধে তিনটি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ মঙ্গলবার ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে করোনাসংক্রান্ত আলোচনায় এ বিষয়গুলো উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন আমি সব জায়গায় বলছি আমরা খুব কমফোর্ট জোনে আছি এটা যেন চিন্তা না করি। হ্যাঁ, আমরা অনেক দেশ থেকে ভালো অবস্থায় আছি, কিন্তু এটা সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা দেয় না যে আমরা একেবারে কমফোর্ট জোনে আছি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তিনটা জিনিস বলেছেন আমরা যেন অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করি, যথাসম্ভব আমরা যেন সতর্কতা অবলম্বন করি এবং পাবলিক গ্যাদারিং যেখানে হচ্ছে, বিশেষ করে কক্সবাজার বা হিল ট্রাকসে বা আমাদের বিভিন্ন সামাজিক বা ধর্মীয় যে গ্যাদারিং হচ্ছে, সেখানে যেন একটা লিমিটেড সংখ্যায় থাকি। যেখানে আমাদের নিজেরও যেন একটা দায়িত্ববোধ থাকে যে বেশিসংখ্যক লোক যেখানে আছে, সেখানে যেন না যাই। আর যারা যাবেন তারা যেন স্বাস্থ্যবিধিটা অনুগ্রহ করে মেনে চলি।

মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, কারণ গত কয়েক দিন ধরে আপনারা আর্টিকলেও দেখেছেন, যারা এক্সপার্ট তারা আলোচনা করছেন যে আমরা যেন খুব কমফোর্ট ফিল না করি। কারণ গত বছরে পিকে উঠেছে সামারে (গ্রীষ্মকালে)। এটি নিশ্চিত নয় যে এ বছরেও উঠবে না। আমাদের ধারণা ছিল যে শীতকালে বোধ হয় পিকে চলে যাবে; কিন্তু পিক ছিল হাই সামারে। সুতরাং এপ্রিল, মে, জুন আমাদের হাই সাফার হবে। এক্সপার্টরা যেটা বলছেন সেটাতেও দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে যেন আমরা যে যার জায়গা থেকে পরিবার, প্রাতিষ্ঠানিক, ব্যক্তি বা দলীয় জায়গা থেকে কেয়ারফুল থাকি।

যদি আবার সংক্রমণ বাড়ে, তবে লকডাউনের মতো সিদ্ধান্ত আসতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, লকডাউনের কথা আমরা এখনো ওইভাবে চিন্তা করিনি। যদি বাড়ে সরকার বসে একটা সিদ্ধান্ত নেবে। মানুষের লাইফ ও জীবিকা, দুটোকে নিয়ে ব্যালান্স করে পুরো টাইমটা কাজ করে আসছি। সেভাবে যেটা লজিক্যাল আমরা সেটাতেই যাব বলেও জানান তিনি।