করোনায় আবারও মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি একদিনে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৯৭৫ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ১৭১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একদিনে করোনায় এটিই সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৬৭৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৭৭ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ হাজার ৩৩৬ জন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ৬৬৪টি। এখন পর্যন্ত চার লাখ ২৫ হাজার ৫৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ১৭১ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৬২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৬ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে আট জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিন জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুই জন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের দুই জন রয়েছেন।

অঞ্চল বিবেচনায় এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ জন, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে দুই জন করে রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৫৫৭ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন সাত হাজার ৮৯৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২১৬ জন। এখন পর্যন্ত মোট ছাড়া পেয়েছেন চার হাজার ৫৩৫ জন।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে দুই হাজার ৬০২ জনকে। এখন পর্যন্ত তিন লাখ ছয় হাজার ২৭ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ৩৬ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন দুই লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৯ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৬ হাজার ৬৩৮ জন।