‘এ দেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষা করবে’

‘পৃথিবীর সব ধর্মই সাম্য, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব আর ভালোবাসার কথা বলেছে। বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য দৃঢ়ভাবে রক্ষা করবে।’

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ রবিবার (২৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনের সব আয়োজন সফল, সুন্দর ও আনন্দঘন হোক এই প্রত্যাশা করছি। জন্মাষ্টমীর এই শুভলগ্নে আমি বিশ্ব শান্তি, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ব কামনা করছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পৃথিবীর সব ধর্মই সাম্য, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব আর ভালোবাসার কথা বলেছে। বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য দৃঢ়ভাবে রক্ষা করবে।’

জি এম কাদের বলেন, ‘সনাতন ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ জন্মাষ্টমীতে আমি স্মরণ করছি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে। তাঁর দেশ পরিচালনার সময়ে ১৯৮৯ সাল থেকেই জন্মাষ্টমীর আনন্দ শোভাযাত্রা আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে ঢাকায় বের হয়।’

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উৎসবমুখর জন্মাষ্টমীতে সরকারি ছুটির বিষয়টি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদই অনুধাবন করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনের উৎসব ও আরাধনা নির্বিঘ্ন করতে জন্মাষ্টমীর দিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এছাড়া নগদ দুই  কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে হিন্দুকল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমাদের প্রিয় নেতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বর্তমানে পল্লীবন্ধু প্রতিষ্ঠিত হিন্দুকল্যাণ ট্রাস্ট অনেক বড় কল্যাণময় প্রতিষ্ঠানে রূপ পেয়েছে।’

বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সামনে এবারও জন্মাষ্টমী এসেছে ভয়াল মহামারি করোনাকালে। তাই প্রতিটি আয়োজন যেন সামাজিক ও শারিরিক দূরত্ব বজায় রেখে উদযাপিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই যেন সবাই ধর্মীয় বিধি অনুসরণ করেন।

শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন জি এম কাদের।