ইংলিশদের কাঁদিয়ে ইউরো কাপের শিরোপা জিতল ইতালি

২০০৬ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইতালি। সেবার আজ্জুরিদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রক্ষণভাগের ফ্যাবিও ক্যানাভারো। ১৯৬৮ সালের পর দ্বিতীয়বার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হলো ইতালি। এবার আজ্জুরিদের নেতৃত্ব দিলেন ডিফেন্ডার জর্জিও কিয়েলিনি।

লন্ডনের ওয়েম্বলিতে রবিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শুরু হওয়া ম্যাচে টাইব্রেকারে ২-৩ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ৫৩ বছর পর শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে রবার্তো মানচিনির ইতালি।

নির্ধারিত সময় ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র ছিল। ২ মিনিটে ইংল্যান্ডের লুক শ’ এবং ৬৭ মিনিটে ইতালির লিওনার্দো বোনুচ্চি গোল করেন। টাইব্রেকারে ইতালি দ্বিতীয় ও পঞ্চম শট মিস করে এবং স্বাগতিক ইংল্যান্ড মিস করে শেষ তিনটি শট। এ নিয়ে টানা ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ল ইতালি।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জ্বরে গত এক মাস ভুগেছে ইউরোপ। ফাইনাল নিয়ে ফুটবল উন্মাদনায় মেতেছিল লন্ডন। সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড কখনই ইউরো সেরা হতে পারেনি।

এবার ঘরের মাঠে সেই সুযোগের সৃষ্টি হয়েছিল। গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ডের শিরোপা উৎসবে শামিল হতে রবিবার রাতে ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম পূর্ণ ছিল দর্শকে। কিন্তু ম্যাচ শেষে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরেছে ইংলিশরা।

চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন কিয়েলিনিরা রোমে ফিরে গেছে হাসিমুখে। রবার্তো মানচিনির দুর্ধর্ষ ইতালি মুখোমুখি হয় স্বাগতিক ইংলিশদের। প্রিয় দলের শিরোপা দেখতে করোনাভীতিকে পাশ কাটিয়ে রোম, মিলান, জেনোয়াসহ সবগুলো শহরে জমায়েত হয়েছিল ইতালিবাসী। ম্যাচ শেষে উৎসব, উচ্ছ্বাসে মেতে উঠে ইতালিয়ানরা।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি ইতালি। দলের এমন ব্যর্থতা মেনে নিতে পারেনি দেশটির ফুটবল কর্তারা। ব্যর্থতা কাটাতে দায়িত্ব তুলে দেয় মানচিনির হাতে। এরপরই বদলে যেতে থাকে ইতালি। চ্যাম্পিয়ন হয়ে টানা ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ল ইতালি। ইউরোর ফাইনালে ওঠার পথে সেমিফাইনালে আজ্জুরিরা টাইব্রেকারে হারায় স্পেনকে। ইংলিশরা হারায় ডেনমার্ককে। ফাইনালেও ইতালি জয় পায় টাইব্রেকারে।