আমি অসন্তুষ্ট ছিলাম : পরিণীতি চোপড়া

বিগত পাঁচ বছরে নিজের কাজের নিয়ে অখুশি অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। অনেক সময় এমন অনেক ছবিতে তিনি কাজ করেছেন, যেগুলো সুবিধাজনক ছবি নয় বোঝা সত্ত্বেও সেই ছবির শ্যুটিং চালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন পরিণীতি।

চলতি বছরে ইতোমধ্যেই তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছে পরিণীতির- ‘দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেন’, ‘সাইনা’ এবং সন্দীপ ঔর পিঙ্কি ফারার’। ‘দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেন’ মুক্তি পেয়েছিল নেটফ্লিক্সে। কিন্তু অন্য দুটো ছবি করোনার কারণে থিয়েটারে মুক্তি পেতে পারেনি। তবে ডিজিটালের বিভিন্ন স্ট্রিমিংয়ে মুক্তি পেয়েছে।

ভারতের এক দৈনিক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ‘অনেকগুলো ছবি গত পাঁচ বছরে আমার মুক্তি পেয়েছে। আমি যে কাজগুলো করেছি সেগুলো নিয়ে ততটা খুশি নই। আমার নিজের মধ্যে বিশ্বাস ছিল কিন্তু ফিল্ম-মেকাররা যেগুলো নিয়ে আমার আগ্রহ সেগুলো আমাকে অফার করে না। আমি পুরোপুরি মন থেকে ছবিগুলোর জন্য সাক্ষর করতাম না। আমি অসন্তুষ্ট ছিলাম। আমি চিরকাল তিন পরিচালকের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব- অমল গুপ্তা (সাইনা), দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায় (সন্দীপ ঔর পিঙ্কি ফারার) এবং ঋভু দাসগুপ্ত (দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেন)’।

তিনি কখনো পরিচালককে কোনো দৃশ্য সংশোধন করতে বলেছিলেন যা সম্পর্কে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে পরিণীতি বলেছিলেন, ‘এমনটা হলে ছবিগুলো আরও ভালো হয়ে উঠত (হাসি)। নির্মাতাদের সঙ্গে দ্বিমুখী সম্পর্ক হয়নি। তবে অনেক ক্ষেত্রেই এমন হয়েছে আমি ছবিটা খারাপ হবে বুঝতে পেরে মন খারাপ করে বাড়ি ফিরেছি’।

২০১১ সালে ‘লেডিস ভার্সেস রিরি বহেল’ ছবির মাধ্যমে সাপোর্টিং চরিত্রে বলিউডে ডেবিউ করেন পরিণীতি। এরপর ইশকজাদে, শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স, হাসি তো ফাঁসি সহ একাধিক চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। পরিণীতির আসন্ন প্রোজেক্ট রণবীর কাপুরের সঙ্গে সন্দীপ রেড্ডির ছবি ‘ভঙ্গাস অ্যানিম্যাল’।